Even when German fans are stuck at home, they can still be seen in the stadium.

Around 13,000 cutouts filled the stands on Saturday as Borussia Mönchengladbach hosted Bayer Leverkusen in a Bundesliga game which could help decide Champions League qualification.

Gladbach fans took pictures at home in a shirt or scarf and paid 19 euros ($20.70) to be turned into one of the “Pappkameraden” or “cardboard companions.” Season-ticket holders have their cutout placed in their usual spot, though some fan groups denounced the idea.

“It’s better to play in front of dolls than nothing at all,” Leverkusen coach Peter Bosz said before the game.

It was Gladbach’s first at home since the Bundesliga restarted without spectators amid the coronavirus pandemic.

The cutouts didn’t do Gladbach much good on Saturday. Leverkusen won 3-1 to overtake Gladbach for third in the table, as Gladbach missed good chances to score late on.

“Despite that it still looks really super,” Gladbach right back Stefan Lainer said. “It creates a certain atmosphere.”

Coach Marco Rose and some of his players were also in the stands in two-dimensional form, along with greats of the club’s past. They include Günter Netzer, who won the West German title with Gladbach in 1970 and 1971 and the World Cup in 1974. There’s even an away end with pictures of supporters from Leverkusen and other clubs. Gladbach said it was a nonprofit initiative with proceeds going to charity.

Gladbach’s form this season has echoed its golden age from the 1970s. The club led the table early in the season and is still fighting for a Champions League spot.

Not all of the real-life fans like their cutout counterparts. Some groups oppose continuing the season without spectators and feel the cutouts legitimize that.

“Football without fans is nothing,” read a large banner placed at one end of the stadium on Saturday.

“For Borussia, against ghost games,” read another.

“The bleak backdrop of empty stadiums is exactly what these games represent and deserve,” the Sottocultura group of Gladbach fans said in a statement. “We consider the initiative with the cardboard figures to be counterproductive. We understand the well-meaning, charitable idea behind it, but we consider the signal to be the wrong one.”

Gladbach isn’t the first club to try replacing fans with doppelgangers during the coronavirus pandemic.

Before the Bundesliga restarted, Belarus was the only country in Europe playing league games. Champion club Dynamo Brest printed off photos sent by supporters abroad and attached them to shop mannequins wearing a motley variety of old shirts.

Get real-time alerts and all the news on your phone with the all-new India Today app. Download from

  • Andriod App
  • IOS App



Source link


A medical officer posted in Bandipora and a pregnant woman was among the 80 people who tested positive for the novel coronavirus in Jammu and Kashmir on Saturday, taking the union territory’s overall tally to 1,569.

Professor Farooq Jan, Medical Superintendent at SKIMS told a news agency that 39 samples returned positive among samples processed at the hospital’s viral diagnostic lab. As many as 5,422 samples are pending, he added.

The nodal officer for coronavirus control at SKIMS Soura, Dr GH Yatoo said that 35 of the new cases are from Kupwara, two from Srinagar and one each from Pulwama and Baramulla, a 30-year-old man from Khrew Pampore and a 40-year-old man from Rafiabad respectively.

The Kupwara cases include two women, an 18-year-old and a 20-year-old, and 33 men aged between 19 and 66 years. They are residents of Daripora, Gulgam, and main Kupwara with travel history to Rajasthan, Himachal Pradesh, Uttarakhand and Punjab, sources said.

The two patients from Srinagar confirmed at SKIMS, have been identified as a 24-year-old male from Rambagh and a 30-year-old woman from Qamarwari.

Dr Salim Khan, nodal officer for Covid-19 at the Government Medical College in Srinagar told India Today that out of 620 samples processed at the CD Hospital’s microbiology lab, fourteen returned positive.

Sources said that the cases include six from Anantnag, a 63-year-old woman and three women aged 40, 43 and 62 years respectively, besides two men, a 23-year-old and a 53-year-old from Imoh area.

Meanwhile, four of the new patients are from Kulgam while three are from Reshipora Pulwama, a 13-year-old boy, a 34-year-old woman and a 36-year-old man. A 50-year-old doctor, who is the Deputy Chief Medical officer of Bandipora and a resident of Habbak Srinagar, has also tested positive. The remaining tests returned positive from GMC Jammu and private labs.

Get real-time alerts and all the news on your phone with the all-new India Today app. Download from

  • Andriod App
  • IOS App



Source link


 সোনারপুরে বিডিও অফিস ভাঙচুর

সোনারপুরে বিডিও অফিস ভাঙচুর

আম্ফানের তাণ্ডবের পর প্রায় ৩ দিন কেটে গেলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি সোনারপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবা। প্রতিবাদে শনিবার পথ অবরোধ করেন রাজপুর-কালীতলার বাসিন্দারা। সোনারপুর থানার পুলিস গিয়ে লাঠিচার্জ করে অবরোধ তুলে দেয়। তারপরেই বিডিও অফিসে জল ও বিদ্যুতের দাবিতে চড়াএ হন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ প্রায় ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই, জন নেই। বারবার জানিয়েও কেউ কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না। প্রায় ১৫০ জন বাসিন্দা বিডিও অফিসে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায়। আহত হয়েছেন সোনারপুর থানার আইসিও। পরে বিশাল পুলিস বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিক্ষোভ শহর কলকাতাতেও

বিক্ষোভ শহর কলকাতাতেও

শহর কলকাতাতেও গত চারদিন ধরে একই অবস্থার মধ্যে রয়েছে। অধিকাংশ এলাকাতেই এখনও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ ও জল পরিষেবা। চুড়ান্ত দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন মানুষ। স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার বলেও কোনও লাভ হচ্ছে না। পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান নেতাজি নগক টেগোর পার্কে বাসিন্দারা। বেহালা চৌরাস্তায়ও পথ অবরোধ করে ৩ ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা।

বিক্ষোভ খিদিরপুরও

বিক্ষোভ খিদিরপুরও

সামনেই ইদ। এদিকে আম্ফানের তান্ডবে তচনচ মহানগরী। এখনও জলমগ্ন অবস্থায় রয়েছে খিদিরপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘরের মধ্যে হাঁটুজল নিয়ে অন্ধকারের মধ্যে বাস করতে হচ্ছে তাঁদের। পোকামাকড়, সাপখোপের ভয় তাড়া করে বেরাচ্ছে। তার উপরে পানীয় জলের সংকট। বউবাজারেও বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে রয়েছে। কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না সিইএসসি। প্রতিবাদে হ্যারিকেন নিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে বাইপাসের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি। প্রতিবাদে ভিআইপি মার্কেটের ক্রসিং-এ বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।

 বিক্ষোভ টিটাগড়ে

বিক্ষোভ টিটাগড়ে

টিটাগড়েও একই অবস্থা। গত চারদিন ধরে জল, বিদ্যুৎ নেই বিস্তীর্ণ এলাকায়। প্রতিবাদে বিক্ষোভ বাসিন্দাদের। খড়ে গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



Source link


 বিদ্যুতের দায় সিইএসসির

বিদ্যুতের দায় সিইএসসির

শহর কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়ার দায়িত্ব সিইএসসি। সেটা বেসরকারি সংস্থা। বাম আমলে এই দায়িত্ব হস্তান্তর হয়েছিল। আম্ফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে যে অবস্থা হয়েছে কলকাতার বিদ্যুৎ পরিষেবা সেটা ঠিক করতে সিইএসসি এই দেরিতে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরসভা সবরকম সহযোগিতা করছে বলে দায় এড়ালেন মমতা।

 ধৈর্য ধরার অনুরোধ

ধৈর্য ধরার অনুরোধ

আম্ফান বড় বিপর্যয়, রাতারাতি সবকিছু স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে না। ধৈর্য ধরতে হবে। এই কাজে সংবাধ মাধ্যমকেও সহযোগিতা করারঅনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সিইএসসিকে জেনারেটর ভাড়া করে আপৎকালীন পরিষেবা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

 জল বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ

জল বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ

আম্ফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে শহরের অধিকাংশ এলাকা এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। জল নেই। চরম সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। টানা তিন দিন এই অব্যবস্থার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ শুরু হয়েছে শহরের বিভিন্ন জায়হায়। সোনারপুরে বিডিও অপিস ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। আহত হয়েছেন সোনারপুর থানার আইসিও।

সেনার সাহায্য চাইল রাজ্য

সেনার সাহায্য চাইল রাজ্য

আম্ফান ধাক্কা সামলাতে সেনাবাহিনীর সাহায্য চাইল রাজ্য সরকার। যেখানে প্রয়োজন সেখানে সেনার সাহায্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত ১০টি এনডিআরএফের টিম আজই রাজ্যে পৌঁছছে বলে জানা গিয়েছে।



Source link