Over 3 lakh people were evacuated from six coastal districts of Odisha and high alert sounded in 12 other districts on Tuesday as cyclone Amphan, despite being weakened into an extremely severe cyclonic storm, packed enough force to pulverise coastal districts of the state.

Cyclone Amphan had turned into a super cyclonic storm from an extremely severe cyclonic storm on Monday, only the second such tropical storm over the Bay of Bengal in two decades, before getting somewhat enfeebled.

A major evacuation was from Kendrapara and Balasore districts of Odisha.

The Odisha government had set a target to evacuate about 11 lakh from most-affected districts. Besides, the state government is targeting the evacuation of one lakh people from vulnerable areas to shelter homes.

“Till Tuesday evening, we evacuated 30,000 persons. Cooked food has been served to those evacuated in Kendrapara,” Kendrapara Collector Samant Verma told India Today TV.

Odisha Special Relief Commissioner (SRC) Pradeep Kumar Jena on Tuesday asked all district collectors to make arrangements for the stay of migrant returnees, belonging to coastal districts that likely to be affected by cyclone Amphan.

With cyclone Amphan expected to wreak havoc in North Odisha and cause extensive damage to electricity and telecommunication network in the state and West Bengal, arrangements for the restoration of these essential services post-cyclone have been made.

Extensive damage is predicted that may devastate old pucca houses in the vulnerable areas. All shipping operations have been warned to completely stay off. Everyone from the affected areas has been warned to stay indoors.

“As telecom cables, antennas and towers get damaged during the cyclone, a disaster preparedness plan has been operationalised after discussion with all telecom operators of affected districts in both the states,” informed Telecom Secretary, Anshu Prakash.

The Secretary of Ministry Of Power said the emergency restoration system has been set up to handle power disruptions in both Odisha and West Bengal. These systems are operational in Kolkata, Bhubaneswar, and Power Grid HQ.

Cyclone Amphan is expected to wreak havoc in Balasore, Bhadrak, Kendrapara, Jagatsinghpur, Jajpur, and Mayurbhanj, said the SRC.

In view of the imminent danger of destruction in the vulnerable areas, the SRC released a press statement, listing a set of advisories for the people of Odisha. It advised people in the affected areas to remain indoors. Movement of motorboats and small ships has been discouraged. Odisha has suspended fishing operations till May 20.

Officials said the storm could destroy standing crops, damage mud and thatch houses, and disrupt power and communication lines in coastal districts of the two eastern states.

The SRC press release said total destruction of “thatched houses/ extensive damage to kutcha houses; potential threat from flying objects; bending/uprooting of power and communication poles; major damage to kutcha and pucca roads; minor disruption of railways, overhead power lines and signalling systems; widespread damage to standing crops, plantations, orchards, falling of green coconuts and tearing of palm fronds” are expected.

Get real-time alerts and all the news on your phone with the all-new India Today app. Download from

  • Andriod App
  • IOS App



Source link


কলকাতায় কত গতিবেগ হবে আম্ফানের

কলকাতায় কত গতিবেগ হবে আম্ফানের

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপকূল বরাবর ঝড় বাংলাদশের দিকে ধেয়ে গেলেও, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী তিন জেলায় অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়ের গতিবেগ সর্বোচ্চ থাকবে। আর কলকাতায় সর্বোচ্চ গতিবেগ হবে ১৩০ কিলোমিটার ঘণ্টায়। ১০০ থেকে ১২০ কিমি বেগে বইবে ঝড়।

অন্যান্য জেলায় কত গতিবেগ হবে

অন্যান্য জেলায় কত গতিবেগ হবে

কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর বা নদিয়া প্রভৃতি জেলাতেও ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। দক্ষিণবঙ্গের ভিতরের জেলাগুলিতে ঝড়ের গতি থাকবে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার ঘণ্টায়। সেইসঙ্গে চলবে বৃষ্টি। পুরো দক্ষিণবঙ্গই লন্ডভন্ড হতে পারে আম্ফানের তাণ্ডবে।

কলকাতায় সতর্কতা জারি, মাইকিং

কলকাতায় সতর্কতা জারি, মাইকিং

এই অবস্থায় বাড়ি থেকে না বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়িগুলি থেকে বাসিন্দাদের কোনও নিরাপদস্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। আস্রয়কেন্দ্রেও সরানোর বন্দোবস্ত হচ্ছে। সমস্ত দোকানপাট বন্ধ রাখার নিদান দেওয়া হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং চালানো হচ্ছে।

দিঘা থেকে হাতিয়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে ঝড়

দিঘা থেকে হাতিয়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে ঝড়

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। তারপর সেই ঘূর্ণিঝড়ই সুপার সাইক্লোনের রূপ নিয়ে উত্তর দিকে ধেয়ে আসছে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের দিঘা ও বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মধ্যে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এই ঝড় আছড়ে পড়ার সময় গতিবেগ হতে পারে সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার।

আছড়ে পড়ার পর কত গতিবেগে এগোবে ঝড়

আছড়ে পড়ার পর কত গতিবেগে এগোবে ঝড়

আলিপুর হাওয়া অফিসের উপর মহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সমুদ্র থেকে স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর আম্ফানের গতিবেগ হবে ১৬৫ কিলোমিটার থেকে ১৭৫ কিলোমিটার। আর সর্বোচ্চ গতিবেগ দাঁড়াবে ১৮৫ কিলোমিটার ঘণ্টায়। দিঘা থেকে সুন্দরবন উপকূল বরাবর হাতিয়া পর্যন্ত এই গতিবেগ থাকবে।



Source link


কলকাতায় কত গতিবেগ হবে আম্ফানের

কলকাতায় কত গতিবেগ হবে আম্ফানের

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপকূল বরাবর ঝড় বাংলাদশের দিকে ধেয়ে গেলেও, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী তিন জেলায় অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়ের গতিবেগ সর্বোচ্চ থাকবে। আর কলকাতায় সর্বোচ্চ গতিবেগ হবে ১৩০ কিলোমিটার ঘণ্টায়। ১০০ থেকে ১২০ কিমি বেগে বইবে ঝড়।

অন্যান্য জেলায় কত গতিবেগ হবে

অন্যান্য জেলায় কত গতিবেগ হবে

কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর বা নদিয়া প্রভৃতি জেলাতেও ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। দক্ষিণবঙ্গের ভিতরের জেলাগুলিতে ঝড়ের গতি থাকবে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার ঘণ্টায়। সেইসঙ্গে চলবে বৃষ্টি। পুরো দক্ষিণবঙ্গই লন্ডভন্ড হতে পারে আম্ফানের তাণ্ডবে।

কলকাতায় সতর্কতা জারি, মাইকিং

কলকাতায় সতর্কতা জারি, মাইকিং

এই অবস্থায় বাড়ি থেকে না বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়িগুলি থেকে বাসিন্দাদের কোনও নিরাপদস্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। আস্রয়কেন্দ্রেও সরানোর বন্দোবস্ত হচ্ছে। সমস্ত দোকানপাট বন্ধ রাখার নিদান দেওয়া হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং চালানো হচ্ছে।

দিঘা থেকে হাতিয়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে ঝড়

দিঘা থেকে হাতিয়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে ঝড়

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। তারপর সেই ঘূর্ণিঝড়ই সুপার সাইক্লোনের রূপ নিয়ে উত্তর দিকে ধেয়ে আসছে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের দিঘা ও বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মধ্যে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এই ঝড় আছড়ে পড়ার সময় গতিবেগ হতে পারে সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার।

আছড়ে পড়ার পর কত গতিবেগে এগোবে ঝড়

আছড়ে পড়ার পর কত গতিবেগে এগোবে ঝড়

আলিপুর হাওয়া অফিসের উপর মহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সমুদ্র থেকে স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর আম্ফানের গতিবেগ হবে ১৬৫ কিলোমিটার থেকে ১৭৫ কিলোমিটার। আর সর্বোচ্চ গতিবেগ দাঁড়াবে ১৮৫ কিলোমিটার ঘণ্টায়। দিঘা থেকে সুন্দরবন উপকূল বরাবর হাতিয়া পর্যন্ত এই গতিবেগ থাকবে।



Source link


কলকাতায় কত গতিবেগ হবে আম্ফানের

কলকাতায় কত গতিবেগ হবে আম্ফানের

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপকূল বরাবর ঝড় বাংলাদশের দিকে ধেয়ে গেলেও, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী তিন জেলায় অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়ের গতিবেগ সর্বোচ্চ থাকবে। আর কলকাতায় সর্বোচ্চ গতিবেগ হবে ১৩০ কিলোমিটার ঘণ্টায়। ১০০ থেকে ১২০ কিমি বেগে বইবে ঝড়।

অন্যান্য জেলায় কত গতিবেগ হবে

অন্যান্য জেলায় কত গতিবেগ হবে

কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর বা নদিয়া প্রভৃতি জেলাতেও ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। দক্ষিণবঙ্গের ভিতরের জেলাগুলিতে ঝড়ের গতি থাকবে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার ঘণ্টায়। সেইসঙ্গে চলবে বৃষ্টি। পুরো দক্ষিণবঙ্গই লন্ডভন্ড হতে পারে আম্ফানের তাণ্ডবে।

কলকাতায় সতর্কতা জারি, মাইকিং

কলকাতায় সতর্কতা জারি, মাইকিং

এই অবস্থায় বাড়ি থেকে না বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়িগুলি থেকে বাসিন্দাদের কোনও নিরাপদস্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। আস্রয়কেন্দ্রেও সরানোর বন্দোবস্ত হচ্ছে। সমস্ত দোকানপাট বন্ধ রাখার নিদান দেওয়া হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং চালানো হচ্ছে।

দিঘা থেকে হাতিয়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে ঝড়

দিঘা থেকে হাতিয়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে ঝড়

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। তারপর সেই ঘূর্ণিঝড়ই সুপার সাইক্লোনের রূপ নিয়ে উত্তর দিকে ধেয়ে আসছে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের দিঘা ও বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মধ্যে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এই ঝড় আছড়ে পড়ার সময় গতিবেগ হতে পারে সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার।

আছড়ে পড়ার পর কত গতিবেগে এগোবে ঝড়

আছড়ে পড়ার পর কত গতিবেগে এগোবে ঝড়

আলিপুর হাওয়া অফিসের উপর মহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সমুদ্র থেকে স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর আম্ফানের গতিবেগ হবে ১৬৫ কিলোমিটার থেকে ১৭৫ কিলোমিটার। আর সর্বোচ্চ গতিবেগ দাঁড়াবে ১৮৫ কিলোমিটার ঘণ্টায়। দিঘা থেকে সুন্দরবন উপকূল বরাবর হাতিয়া পর্যন্ত এই গতিবেগ থাকবে।



Source link